অত্যাধুনিক ব্লগ
বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০১৩
গুগল
প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে গুগল
এক বছর আগে গুগল বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, মুভি, মিউজিক, ম্যাগাজিন এবং বই সহজে ডাউনলোড করার জন্য অ্যান্ড্রয়েড মার্কেটপ্লেসে ‘গুগল প্লে’ নামে একটি সেবা চালু করে। এক বছরের মধ্যে ১০ লাখেরও বেশি কনটেন্ট জমা হয়েছে গুগলের এই সেবাতে এবং এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীতে কিছু সেবার ওপর বিশেষ ছাড় দেয়া হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে এবিসি নিউজ।
রোজেনবার্গ আরো জানিয়েছেন, গুগলের অ্যাপ্লিকেশন সেবা ১৩০টি দেশে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু অন্যান্য সেবাগুলো কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশে সীমাবদ্ধ। গুগল চেষ্টা করছে এই সেবাগুলো বাকি দেশগুলোতেও সরবরাহ করতে।
সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়াতে গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বান
সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়াতে গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বান
মামুনূর রশীদ
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2013-03-07 16:43:09.0
Updated: 2013-03-07 16:58:15.0
1 / 1
সারা দেশে জামায়াত-শিবিরের সাম্প্রদায়িক তাণ্ডবের শিকার হিন্দুসহ অমুসলিম জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা এসেছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গণজাগরণ সমাবেশ থেকে।
৪২
বছর পরে এই ময়দান থেকেই যারা মুক্তির সংগ্রামের বিরোধিতা করে
হত্যা-ধর্ষণ-লুটপাট করেছিল, তাদের বিচারের দাবি ঘোষিত হল নতুন প্রজন্মের
বজ্রকণ্ঠে।
যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে গড়ে উঠা গণজাগরণ মঞ্চের শাহবাগের বাইরে বৃহস্পতিবার ছিল ষষ্ঠ সমাবেশ।
সমাবেশে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেন, বিগত দিনে হরতালের নামে জামায়াত-শিবির সারা দেশে যে সাম্প্রদায়িক তাণ্ডব ছড়িয়েছে, তার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গণজাগরণ মঞ্চও ভিন্নধর্মালম্বীদের পাশে দাঁড়াবে।
সাম্প্রদায়িক নির্যাতনের শিকার মানুষদের পাশে সবাইকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকেও আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব।
“প্রতিটি পাড়া মহল্লায় এই অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। এই বাংলায়
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খৃস্টান সবার এক পরিচয়, তারা এই দেশের নাগরিক।”তবে
আন্দোলনের অহিংস ধারা অব্যাহত রাখার জন্য তিনি সবার উদ্দেশে বলেন, “কোনো
নৈরাজ্য যেন সৃষ্টি না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। যে কোনো ধরনের
অপপ্রচার, প্ররোচনা, উস্কানি বা মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত হবেন না।
“এমন কিছুই আমরা করব না, যা রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন করে,” দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন ইমরান।
যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি বাস্তবায়নে প্রত্যয়ী ইমরান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হৃদয়ে লালন করে, সাতই মার্চের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে অহিংস আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আমরা বিজয়ী হয়ে ঘরে ফিরব।”
সাতই মার্চকে এ আন্দোলনের দিক নির্দেশক হিসাবে আখ্যায়িত করে ইমরান বলেন, মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময় থেকেই বাঙালি জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপ্রসূত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার।
“কিন্তু স্বাধীনতার বিয়াল্লিশ বছর পরে আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সাতক্ষীরা, খুলনা বগুড়াসহ সারাদেশে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত।”
“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে অনাবিল ঐশ্বর্য বাঙালি তার হৃদয়ে ধারণ করে এসেছে, জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা আজ তা বিনষ্টের জন্য হিংস্র ছোবল তুলেছে।”
যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও আইন করে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা দাবি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “যুদ্ধাপরাধীমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য আজ আমরা ঐক্যবদ্ধ।”
গণস্বাক্ষর কর্মসূচির সময় বাড়লো
বৃহস্পতিবারই গণস্বাক্ষর কর্মসূচির শেষ দিন হলেও গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির কারণে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কথা চিন্তা করে আগামী ২২ মার্চ পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়েছে।
এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য সবার প্রতি আনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনার একটি স্বাক্ষর এই দাবি আদায়ের জন্য একটি সাহসী প্রতিনিধি।”
এছাড়া শুক্রবার বিকাল তিনটায় নারী জাগরণ সমাবেশে অংশ নেয়ার জন্য পেশাজীবী ও শ্রমজীবী নারী সংগঠনগুলোসহ সব নারীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এজন্য সব গার্মেন্টস মালিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইমরান বলেন, “আপনারা কাল বিকাল তিনটায় কারখানা ছুটি দিয়ে সব নারী শ্রমিকদের সমাবেশে পাঠিয়ে দেবেন।”
একইসঙ্গে বিভাগীয় শহরগুলোতে পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য সেখানকার আয়োজকদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইমরান বলেন, আগামীকালের নারী জাগরণ সমাবেশ থেকে বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বক্তব্য শেষে যুদ্ধাপরাধীদের সব আর্থিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং তাদের সব গণমাধ্যম বর্জনের শপথ নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সব ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ ও জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সমাবশে শুরু হয়।
এরপর মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ অনুকরণ করে শিশু তাজনিম তাজওয়ার অপূর্ব।
এরপর মঞ্চে বক্তব্য দিনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা। সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, জাসদ-ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন, বিপ্লবী ছাত্র সংহতি ও ছাত্র ঐক্য ফোরাম।
সমাবেশে একাত্তরের বীরাঙ্গনা আনোয়ারা বেগমকে দশ হাজার টাকার অর্থ সাহায্য তুলে দেন মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।এছাড়াও
আগামী শুক্রবারের নারী জাগরন সমাবেশে কর্মজীবি ও পেশাজীবি নারীদের
উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আগে থেকেই ছুটি দেওয়ার জন্য গার্মেন্টস ও বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানের কাছে অনুরোধ জানান ইমরান।
এর আগে হরতাল প্রত্যাখ্যান করে দুপুর থেকেই সেখানে আসতে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন বেদীর পিছন দিকে করা অস্থায়ী মঞ্চকে সামনে রেখে সারিবদ্ধভাবে বসে থাকেন অনেকে। এছাড়া গোটা উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে বা বসে সমাবেশে অংশ নেন হাজারো জনতা।
যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় প্রত্যাখ্যান করে তার ফাঁসির দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই গণআন্দোলনে শরিক হয়েছেন রিকশাচালক থেকে মন্ত্রী, স্কুল শিক্ষার্থী থেকে মুক্তিযোদ্ধারা।
যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে এই আন্দোলন শুরু হয়। পরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের দাবি তোলে তারা।
যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে গড়ে উঠা গণজাগরণ মঞ্চের শাহবাগের বাইরে বৃহস্পতিবার ছিল ষষ্ঠ সমাবেশ।
সমাবেশে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেন, বিগত দিনে হরতালের নামে জামায়াত-শিবির সারা দেশে যে সাম্প্রদায়িক তাণ্ডব ছড়িয়েছে, তার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গণজাগরণ মঞ্চও ভিন্নধর্মালম্বীদের পাশে দাঁড়াবে।
সাম্প্রদায়িক নির্যাতনের শিকার মানুষদের পাশে সবাইকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকেও আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব।
“এমন কিছুই আমরা করব না, যা রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন করে,” দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন ইমরান।
যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি বাস্তবায়নে প্রত্যয়ী ইমরান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হৃদয়ে লালন করে, সাতই মার্চের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে অহিংস আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আমরা বিজয়ী হয়ে ঘরে ফিরব।”
সাতই মার্চকে এ আন্দোলনের দিক নির্দেশক হিসাবে আখ্যায়িত করে ইমরান বলেন, মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময় থেকেই বাঙালি জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপ্রসূত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার।
“কিন্তু স্বাধীনতার বিয়াল্লিশ বছর পরে আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সাতক্ষীরা, খুলনা বগুড়াসহ সারাদেশে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত।”
“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে অনাবিল ঐশ্বর্য বাঙালি তার হৃদয়ে ধারণ করে এসেছে, জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা আজ তা বিনষ্টের জন্য হিংস্র ছোবল তুলেছে।”
যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও আইন করে জামায়াত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা দাবি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “যুদ্ধাপরাধীমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য আজ আমরা ঐক্যবদ্ধ।”
গণস্বাক্ষর কর্মসূচির সময় বাড়লো
বৃহস্পতিবারই গণস্বাক্ষর কর্মসূচির শেষ দিন হলেও গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির কারণে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কথা চিন্তা করে আগামী ২২ মার্চ পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়েছে।
এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য সবার প্রতি আনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনার একটি স্বাক্ষর এই দাবি আদায়ের জন্য একটি সাহসী প্রতিনিধি।”
এছাড়া শুক্রবার বিকাল তিনটায় নারী জাগরণ সমাবেশে অংশ নেয়ার জন্য পেশাজীবী ও শ্রমজীবী নারী সংগঠনগুলোসহ সব নারীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এজন্য সব গার্মেন্টস মালিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইমরান বলেন, “আপনারা কাল বিকাল তিনটায় কারখানা ছুটি দিয়ে সব নারী শ্রমিকদের সমাবেশে পাঠিয়ে দেবেন।”
একইসঙ্গে বিভাগীয় শহরগুলোতে পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য সেখানকার আয়োজকদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইমরান বলেন, আগামীকালের নারী জাগরণ সমাবেশ থেকে বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বক্তব্য শেষে যুদ্ধাপরাধীদের সব আর্থিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং তাদের সব গণমাধ্যম বর্জনের শপথ নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সব ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ ও জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সমাবশে শুরু হয়।
এরপর মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ অনুকরণ করে শিশু তাজনিম তাজওয়ার অপূর্ব।
এরপর মঞ্চে বক্তব্য দিনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা। সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, জাসদ-ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন, বিপ্লবী ছাত্র সংহতি ও ছাত্র ঐক্য ফোরাম।
এর আগে হরতাল প্রত্যাখ্যান করে দুপুর থেকেই সেখানে আসতে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন বেদীর পিছন দিকে করা অস্থায়ী মঞ্চকে সামনে রেখে সারিবদ্ধভাবে বসে থাকেন অনেকে। এছাড়া গোটা উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে বা বসে সমাবেশে অংশ নেন হাজারো জনতা।
যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় প্রত্যাখ্যান করে তার ফাঁসির দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই গণআন্দোলনে শরিক হয়েছেন রিকশাচালক থেকে মন্ত্রী, স্কুল শিক্ষার্থী থেকে মুক্তিযোদ্ধারা।
যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে এই আন্দোলন শুরু হয়। পরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের দাবি তোলে তারা।
News feeds
বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পিপার জেফরির বিশ্লেষক জিন মানস্টার সমপ্রতি
জানিয়েছেন, এ মাসে অথবা এপ্রিলে অ্যাপল আইপ্যাড হালনাগাদ বা নতুন সংস্করণ
করতে পারে। মানস্টার বলেন, ‘সাধারণত বসন্তেই অ্যাপল তার ট্যাবলেটের
হালনাগাদ করে অর্থাৎ নতুন সংস্করণ আনে। আর আপডেট করা আইপ্যাডের নকশায়
পরিবর্তন আসাটাই স্বাভাবিক।’ মানস্টার আরও জানান, ‘বর্তমান আইপ্যাড মিনির
সঙ্গে রেটিনা ডিসপ্লে থাকলেও আপডেট করা আইপ্যাড মিনিতে এটি সংযোজনের কোনো
সম্ভাবনা নেই।’ তিনি আরও আশা করছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে অ্যাপল টিভি
বাজারে আসবে।
মানস্টার প্রসঙ্গক্রমে বলেন, অ্যাপল যদি বসন্ত উৎসব করে, তবে সেখানে নতুন পণ্য আসার তেমন সম্ভাবনা নেই। কিন্তু নতুন পণ্য বাজারে ছাড়ার জন্য বছরের বাকি যেকোনো সময় বেছে নিতে পারে কোম্পানিটি। আর এর মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত সস্তা ফোন এবং টেলিভিশন। এতে বিনিয়োগকারীরা অ্যাপলের নতুন উদ্ভাবন নিয়ে উচ্ছ্বসিত হবেন।
গত মাসে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, নতুন পণ্য আনার আগে বেশ জোরেশোরে কাজ করছে অ্যাপল। কোম্পানির একটি সূত্রে জানা যায়, এ মাসের মধ্যে নতুন আইপ্যাড ও আইপ্যাড মিনি বাজারে আনার জন্য কাজ করছে অ্যাপল। সূত্রটিকে সমর্থন করে টোপেকা ক্যাপিটাল মার্কেটসের ব্রায়ান হোয়াইট বলেন, এত তাড়াতাড়ি নতুন পণ্য আনার ব্যাপারটা অ্যাপলের জন্য একটু বেমানান। কারণ, মাত্র দুই মাস আগে আইপ্যাড এবং আইপ্যাড মিনির নতুন সংস্করণগুলো বাজারে এসেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, নতুন আইপ্যাড৫ হবে আরও হালকা ও পাতলা এবং এটি চলবে এ৬এক্স প্রসেসরে। আইপ্যাড মিনির দ্বিতীয় সংস্করণটির গঠন ও আকৃতি হবে আগেরটির মতোই, শুধু বদলে যাবে ভেতরের হার্ডওয়্যার বা যন্ত্রপাতি। এখন পর্যন্ত আইপ্যাড মিনির রেটিনা ডিসপ্লে সম্পর্কে কোনো খবর নেই। তবে খুব শিগগির এর নতুন সংস্করণটি হাতে পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মানস্টার প্রসঙ্গক্রমে বলেন, অ্যাপল যদি বসন্ত উৎসব করে, তবে সেখানে নতুন পণ্য আসার তেমন সম্ভাবনা নেই। কিন্তু নতুন পণ্য বাজারে ছাড়ার জন্য বছরের বাকি যেকোনো সময় বেছে নিতে পারে কোম্পানিটি। আর এর মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত সস্তা ফোন এবং টেলিভিশন। এতে বিনিয়োগকারীরা অ্যাপলের নতুন উদ্ভাবন নিয়ে উচ্ছ্বসিত হবেন।
গত মাসে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, নতুন পণ্য আনার আগে বেশ জোরেশোরে কাজ করছে অ্যাপল। কোম্পানির একটি সূত্রে জানা যায়, এ মাসের মধ্যে নতুন আইপ্যাড ও আইপ্যাড মিনি বাজারে আনার জন্য কাজ করছে অ্যাপল। সূত্রটিকে সমর্থন করে টোপেকা ক্যাপিটাল মার্কেটসের ব্রায়ান হোয়াইট বলেন, এত তাড়াতাড়ি নতুন পণ্য আনার ব্যাপারটা অ্যাপলের জন্য একটু বেমানান। কারণ, মাত্র দুই মাস আগে আইপ্যাড এবং আইপ্যাড মিনির নতুন সংস্করণগুলো বাজারে এসেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, নতুন আইপ্যাড৫ হবে আরও হালকা ও পাতলা এবং এটি চলবে এ৬এক্স প্রসেসরে। আইপ্যাড মিনির দ্বিতীয় সংস্করণটির গঠন ও আকৃতি হবে আগেরটির মতোই, শুধু বদলে যাবে ভেতরের হার্ডওয়্যার বা যন্ত্রপাতি। এখন পর্যন্ত আইপ্যাড মিনির রেটিনা ডিসপ্লে সম্পর্কে কোনো খবর নেই। তবে খুব শিগগির এর নতুন সংস্করণটি হাতে পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ম্যাকবুক কম্পিউটার সোর্স
অ্যাপলের তৈরি রেটিনা ডিসপ্লেযুক্ত দুইটি মডেলের ম্যাকবুক দেশের বাজারে
এসেছে। ১৩.৩ ইঞ্চি মাপের এই দুইটি মডেলের ম্যাকবুক এনেছে কম্পিউটার সোর্স।
এমডি২১৩জেডএ/এ মডেলের এই ম্যাকবুকে রয়েছে কোরআই ফাইভ প্রসেসর, ৮জিবি ডিডি আর থ্রি র্যাম ও টার্বোবুস্ট প্রযুক্তি। অ্যালুমিনিয়াম কাঠামোর এই ল্যাপটপে রয়েছে ইউএসবি থ্রি পোর্ট ও এইচডিএমআই পোর্ট । ২৫৬ গিগাবাইট ফ্ল্যাশ স্টোরেজ সুবিধার এ ম্যাকবুকের দাম এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। আরেকটি মডেল হচ্ছে এম ডি২১২জেডএ/এ। ১২৮ গিগাবাইট ফ্ল্যাশ স্টোরেজ সুবিধার এ মডেলের ম্যাকবুকের দাম এক লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
প্রতিটি ম্যাকবুকের সঙ্গে এক বছরের বিক্রোয়োত্তর সেবা দেবে বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানটি।
২০১২ সালের জুন মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে এসেছিল উন্নত রেজুলেশন অর্থাত্ রেটিনা ডিসপ্লেযুক্ত ম্যাকবুকের এই মডেলগুলো।
এমডি২১৩জেডএ/এ মডেলের এই ম্যাকবুকে রয়েছে কোরআই ফাইভ প্রসেসর, ৮জিবি ডিডি আর থ্রি র্যাম ও টার্বোবুস্ট প্রযুক্তি। অ্যালুমিনিয়াম কাঠামোর এই ল্যাপটপে রয়েছে ইউএসবি থ্রি পোর্ট ও এইচডিএমআই পোর্ট । ২৫৬ গিগাবাইট ফ্ল্যাশ স্টোরেজ সুবিধার এ ম্যাকবুকের দাম এক লাখ ৬৭ হাজার টাকা। আরেকটি মডেল হচ্ছে এম ডি২১২জেডএ/এ। ১২৮ গিগাবাইট ফ্ল্যাশ স্টোরেজ সুবিধার এ মডেলের ম্যাকবুকের দাম এক লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
প্রতিটি ম্যাকবুকের সঙ্গে এক বছরের বিক্রোয়োত্তর সেবা দেবে বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানটি।
২০১২ সালের জুন মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে এসেছিল উন্নত রেজুলেশন অর্থাত্ রেটিনা ডিসপ্লেযুক্ত ম্যাকবুকের এই মডেলগুলো।
প্রযুক্তি বিষয়ক
মানসিক চাপে রয়েছেন কিন্তু বুঝতে পারছেন না ঠিক কতটা মানসিক চাপে রয়েছেন
আপনি? সুখবর হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা মানসিক চাপ পরীক্ষা করার একটি
পদ্ধতি উদ্ভাবনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বন্ধু বা প্রিয়জন হলেও মানসিক চাপের থাকার কথাটি তাঁকে বললেই কেবল সে জানতে পারে। এক খবরে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট গিজম্যাগ জানিয়েছে, সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ সহজেই কাছের মানুষের কাছে মানসিক চাপের কথা বলতে পারেন কিন্তু আলঝেইমার রোগীর ক্ষেত্রে মানসিক চাপে থাকার বিষয়টি জানানো সম্ভব হয় না। মানসিক চাপের মাত্রা জানতে লাফবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষকেরা রাসায়নিক পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন।
‘ব্রিদ রিচার্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধে গবেষকেরা জানিয়েছেন, মানুষের শ্বাস নেওয়ার বিষয়টির ওপর তার চাপে থাকার বিষয়টি বোঝা যায়। তাই গবেষকেরা মানুষের দীর্ঘশ্বাসকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করে মানসিক চাপ মাপার যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করছেন।
বন্ধু বা প্রিয়জন হলেও মানসিক চাপের থাকার কথাটি তাঁকে বললেই কেবল সে জানতে পারে। এক খবরে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট গিজম্যাগ জানিয়েছে, সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ সহজেই কাছের মানুষের কাছে মানসিক চাপের কথা বলতে পারেন কিন্তু আলঝেইমার রোগীর ক্ষেত্রে মানসিক চাপে থাকার বিষয়টি জানানো সম্ভব হয় না। মানসিক চাপের মাত্রা জানতে লাফবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষকেরা রাসায়নিক পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন।
‘ব্রিদ রিচার্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধে গবেষকেরা জানিয়েছেন, মানুষের শ্বাস নেওয়ার বিষয়টির ওপর তার চাপে থাকার বিষয়টি বোঝা যায়। তাই গবেষকেরা মানুষের দীর্ঘশ্বাসকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করে মানসিক চাপ মাপার যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করছেন।
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস
চৌধুরী সাহেব ড্রয়িংরুমে বসে পত্রিকায় খ্যাতনামা মডেলের সঙ্গে এক
বক্সারের বিয়ের খবর পড়ছিলেন। খবর পড়েই তেতো হয়ে গেল তার মন। হিংসার বশে
চৌধুরী সাহেব তার সহধর্মিণীকে আফসোস করে বললেন, ‘আমি কিছুতেই বুঝতে পারি
না। সুন্দরী মহিলারা কেন সব সময় অপদার্থ টাইপের লোকদেরই বিয়ে করে?’
চৌধুরী সাহেবের স্ত্রীর ত্বরিত উত্তর, ‘বিষয়টি বুঝতে পারার জন্য ধন্যবাদ।’
বেশ কয়েক বছর পর দুই বান্ধবীর দেখা হয়েছে। গল্পগুজবের মধ্যে এক বান্ধবী হঠাৎ বলে উঠল, ‘কী রে, এনগেজমেন্ট রিং ভুল আঙুলে পরে আছিস কেন?’ অন্য বান্ধবী মাথা ঝাঁকিয়ে উত্তর দিল, ‘ভুল পুরুষকে বিয়ে করার জন্য এই প্রতিবাদ।’
বিয়ের সময় কনে তার মায়ের কাছে দোয়া চাচ্ছে, ‘আমার স্বামী যেন বাবার মতোই হয়।’ মায়ের করুণ উত্তর, ‘তাহলে তোর জন্য আমার সহানূভূতি রইল রে মা!’
পুরুষদের কাছে জ্ঞান হলো টমেটো একটি ফলের নাম। আর নারীর জ্ঞানের কারণেই টমেটো ফল দিয়ে সালাদ তৈরি হয়।
কোনো ছেলেকে ‘আপনার ল্যাপটপ কম্পিউটারের কনফিগারেশন কী?’ জিজ্ঞেস করলে উত্তরে বলবে, ‘প্রসেসর-২ দশমিক ২৬ গিগাহার্টজ, ডিডিআরথ্রি র্যাম-২ গিগাবাইট, সাটা হার্ডডিস্ক-৫০০ গিগাবাইট’। আর মেয়েদের একই প্রশ্ন করলে সরল উত্তরে বলবে, ‘নীল রঙের ল্যাপটপ’।
ঝগড়া যখনই চরম পর্যায়ে চলে যায় তখনই চৌধুরী সাহেবের স্ত্রী হাঁটু গেড়ে বসে যান। কারণ তখন চৌধুরী সাহেবকে তার স্ত্রী বলেন, ‘পুরুষ মানুষ হলে খাটের নিচ থেকে বের হয়ে কথা বলো।’
সংগ্রহ: জাহিদ হোসাইন খান
বেশ কয়েক বছর পর দুই বান্ধবীর দেখা হয়েছে। গল্পগুজবের মধ্যে এক বান্ধবী হঠাৎ বলে উঠল, ‘কী রে, এনগেজমেন্ট রিং ভুল আঙুলে পরে আছিস কেন?’ অন্য বান্ধবী মাথা ঝাঁকিয়ে উত্তর দিল, ‘ভুল পুরুষকে বিয়ে করার জন্য এই প্রতিবাদ।’
বিয়ের সময় কনে তার মায়ের কাছে দোয়া চাচ্ছে, ‘আমার স্বামী যেন বাবার মতোই হয়।’ মায়ের করুণ উত্তর, ‘তাহলে তোর জন্য আমার সহানূভূতি রইল রে মা!’
পুরুষদের কাছে জ্ঞান হলো টমেটো একটি ফলের নাম। আর নারীর জ্ঞানের কারণেই টমেটো ফল দিয়ে সালাদ তৈরি হয়।
কোনো ছেলেকে ‘আপনার ল্যাপটপ কম্পিউটারের কনফিগারেশন কী?’ জিজ্ঞেস করলে উত্তরে বলবে, ‘প্রসেসর-২ দশমিক ২৬ গিগাহার্টজ, ডিডিআরথ্রি র্যাম-২ গিগাবাইট, সাটা হার্ডডিস্ক-৫০০ গিগাবাইট’। আর মেয়েদের একই প্রশ্ন করলে সরল উত্তরে বলবে, ‘নীল রঙের ল্যাপটপ’।
ঝগড়া যখনই চরম পর্যায়ে চলে যায় তখনই চৌধুরী সাহেবের স্ত্রী হাঁটু গেড়ে বসে যান। কারণ তখন চৌধুরী সাহেবকে তার স্ত্রী বলেন, ‘পুরুষ মানুষ হলে খাটের নিচ থেকে বের হয়ে কথা বলো।’
সংগ্রহ: জাহিদ হোসাইন খান
ভালোবাসা
আমার অপ্রতিরোধ্য ভালোবাসা
তাতিয়ানা নোইয়োনেন
আপনি পুরুষ হলে আমাকে বুঝবেন।
আমি আমার প্রেমিককে ভালোবেসেছি কাব্যিক, অপার্থিব, সহজ, সুতীব্র, ত্বরিত ও অপরিসীম ভালোবাসায়।
আমি ভালোবেসেছি ওর শহর, যেখানে ওর বাস, যেখানে দাঁড়িয়ে আছে ওর বাড়ি, আলুর খোসা ছড়ানো সিঁড়ি, যেটা বেয়ে উঠে যেতে হয় ওর ফ্ল্যাটে। আমি ভালোবেসেছি ওর ফ্ল্যাটের একগাদা লেটারবক্স আর কলবেল সংবলিত দরজা। আমি ভালোবেসেছি সব কটি কলবেল আর লেটারবক্সের মালিকদের, ভালোবেসেছি অভূতপূর্ব এই শেয়ার্ড ফ্ল্যাটের* প্রতিটি প্রতিবেশীকে, যে ফ্ল্যাটের ১১টি ঘরের একটিতে থাকে ও।
আমি ভালোবেসেছি ওর দীর্ঘদেহী দরাজদিল প্রতিবেশিনী আলেভতিনা পাভলভনাকে।
আমি ভালোবেসেছি ওর আবিষ্কারক প্রতিবেশী ক্লোচনিকভকে, ভালোবেসেছি তার অনাগত প্যাটেন্টগুলোকেও।
আমি ভালোবেসেছি কাপিতোলিনা রিচার্দভনাকে—আইগ্লাস পরা প্রৌঢ়া, যিনি তাঁর অবসরের পুরোটাই অতিবাহন করেন অন্যদের চিঠি পড়ে।
আমি ভালোবেসেছি ওর আরেক প্রতিবেশী অদম্য ডাকটিকিট সংগ্রাহক সগুম্ফ পিকুসভকে।
আমি ভালোবেসেছি ওর মাকে—রেলস্টেশনের বুফেতে কর্মরতা মহিলা। ভালোবেসেছি তার চিকন ঠোঁট, তার অগণ্য কৌতুক।
আমি ভালোবেসেছি ওর কুৎসিতদর্শন পোষা প্রাণী নোংরা সাদা বিড়াল কিটিকে, ডাস্টবিনের সৌরভ সঙ্গে নিয়ে টেবিলের পাশের জানালা দিয়ে ঘরে ঢোকে যে।
আগে আমি নিজে অনেক কিছু ভালোবাসতাম, এখন আর বাসি না। কারণ, যা কিছু ওর পছন্দ, সেসব আমি ভালোবেসেছি।
মোৎসার্টের সিম্ফোনি আমি আর পছন্দ করি না। আমি ভালোবেসেছি তার প্রিয় সুরকার মাগোমায়েভের গান।
আমি ভালোবেসেছি ওর ব্যবহূত ওডিকোলন, ভালোবেসেছি ফিগার স্কেটিং, বন্ধুত্ব ও প্রেমবিষয়ক বিতর্ক, ওর ওয়ার্ডরোব, শহরের পার্কের লেকে নৌকাভ্রমণ। আমি ভালোবেসেছি সিনেমা হলে বসে সানফ্লাওয়ারের বিচি ছুলে ছুলে খাওয়া।
ওর আনন্দে আমি আনন্দিত হয়েছি, দুর্বল হয়েছি ওর দুর্বলতায়।
আমি ভালোবেসেছি ওর জিন, সিগারেট, কোট, স্নায়ুতন্ত্র, টাই, ঘুম, ওর চুল, ওর বিষাদ, ওর সাবান, ওর হাঁটার ধরন, ওর টুথপেস্ট ও ওর টুথব্রাশ।
এবং গা ভাসিয়ে দেওয়া ভালোবাসার এই স্রোতে আমি কাব্যিক, অপার্থিব, সহজ, সুতীব্র, ত্বরিত ও অপরিসীম ভালোবাসায় ভালোবেসে ফেলেছি ওর বসকে।
এবং ওকে ভুলে গিয়েছি।
আপনি পুরুষ হলে আমাকে বুঝবেন।
* সোভিয়েত যুগে অনেক সময় একটি ফ্ল্যাটের বিভিন্ন ঘরে আলাদা আলাদা পরিবার বাস করত। তেমন ফ্ল্যাটকে বলা হতো ‘শেয়ার্ড ফ্ল্যাট’।
বিশ্ব নারী দিবসের প্রাক্কালে একটি সাক্ষাৎকার
(সোভিয়েত যুগের সাহিত্যপত্রিকা লিতেরাতুরনায়া গাজেতা একবার বিশ্ব নারী দিবসের প্রাক্কালে রম্যলেখক আর্কাদি আর্কানভকে কয়েকটি প্রশ্ন করেছিল তাঁর স্ত্রী ও অন্যান্য নারী বিষয়ে।)
—আপনার স্ত্রীর কোন জিনিসটি আপনার সবচেয়ে পছন্দ?
—সেই জুতাজোড়া, যা আমি তাকে কিনে দিয়েছিলাম বিয়ের দিন।
—আগামীকাল, বিশ্ব নারী দিবসে আপনি কী কিনে দেবেন তাকে?
—আমি তো বলেইছি, বিয়ের দিন আমি তাকে একজোড়া জুতা কিনে দিয়েছি।
—আপনার স্ত্রীর দিকে সবাই ফিরে ফিরে তাকায়, এর পেছনে রহস্যটা কী?
—কারণ, তার পায়ে থাকে অপূর্ব একজোড়া জুতা, যা আমি তাকে কিনে দিয়েছিলাম বিয়ের দিন।
—আপনি তাকে বিয়ে করেছেন ভালোবেসে? নাকি...
—শুরু হয়েছিল ভালোবাসা দিয়েই, তবে জুতাজোড়া কিনে দেওয়ার পরে বিয়ে না করে উপায় ছিল না।
—আজ যদি রাস্তায় আপনার স্ত্রীকে প্রথমবারের মতো দেখতেন, তার দিকে মনোযোগ দিয়ে তাকাতেন কি?
—অবশ্যই! অমন জুতা আছে নাকি আর কারোর পায়ে!
—আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কিসের তুলনা চলতে পারে?
—অমন জুতাজোড়ার মালিকের সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে নাকি!
—প্রমীলা ফুটবল বিষয়ে আপনার মতামত কী?
—মেয়েদের ফুটবল খেলার বিরোধী আমি নই, তবে ওই জুতাজোড়ার কথা ভেবে কষ্ট হয়।
—আপনি যদি মেয়ে হতেন...
—আমি মেয়ে হলে নিজেই অমন জুতা পরে ঘুরে বেড়াতাম।
রু শ মি শা লি
অনেক মেয়েই সিরিয়াস সাইটগুলোর মতো। বিশেষ সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে চাইলে রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন হয়।
আমি চাই নারীশাসিত সমাজ। স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে ঢকঢক করে বিয়ার গিলে আমি দেয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে নাক ডেকে ঘুমাব। আর স্বামী কেঁদে বুক ভাসাবে। তারপর নিজের জিনিসপত্র স্যুটকেসে ভরে নিয়ে চলে যাবে বাবার কাছে।
মেয়েদের চিরন্তন দুটি সমস্যা: ১. পরার কিছু নেই; ২. ওয়ার্ডরোবে আর জায়গা নেই।
আমাকে ল্যাপটপের সামনে বসতে দেখলেই আমার স্বামীর ঈর্ষাবোধ জেগে ওঠে। অথচ এর চেয়ে কতটা বেশি সময় কাটাই আমি চুলোর সামনে!
মেয়েরা সবকিছুই পারে, তবে তাদের অনেকের লজ্জাবোধ বড্ড বেশি।
যে কারণে ছেলেদের দুর্বোধ্য বলা হয়, ঠিক সেই একই কারণে ‘রহস্যময়ী’ উপাধি পায় মেয়েরা।
নারীরা অনেক কিছু চায় একজন পুরুষের কাছ থেকে আর পুরুষেরা একটা জিনিসই চায় অনেক নারীর কাছ থেকে।
মহিলা-ড্রাইভার যদি ডানে যাওয়ার সিগন্যাল দেয়, সেটার মানে কিন্তু এই নয় যে সে বাম দিকেই যাবে।
স্বামী জিজ্ঞেস করছে স্ত্রীকে: ১৫ মিনিট পরে রেডি হতে তোমার কতটা সময় লাগবে?
বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ
প্রধান সম্পাদক: জিয়া উদ্দিন আহমেদ
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
প্রচ্ছদ: ইনাম আল হক \ প্রতি খণ্ডের মূল্য: ৫০০ টাকা
বাংলায় ২৮ খণ্ড এবং ইংরেজিতে ২৮ খণ্ড
শেলফে সাজানো ২৮ খণ্ডের ঝলমলে বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ গ্রন্থমালার দিকে তাকালে মনে পড়ে সালার খান স্যারের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ট্যাক্সোনমি পড়াতেন।
সর্বদা তাঁর সঙ্গে থাকত ডেভিড প্রেইন প্রণীত দুই খণ্ডের গ্রন্থ বেঙ্গল প্লান্টস—জরাজীর্ণ, ছেঁড়াখোঁড়া ও আমাদের ছুঁতে মানা। মাদ্রাজি এই অধ্যাপক বলতেন, তাঁকে বাংলার গাছপালা চিনিয়েছেন ডেভিড প্রেইন আর কার্জন হলের বোটানিক গার্ডেনের বুড়ো মালিরা।
পরিভাষায় আকীর্ণ ট্যাক্সোনমি, কঠিন উচ্চারণের লাতিন নাম কারও ভালো লাগার কথা নয়। আর শেষ বর্ষে (১৯৫৮) থিসিস হিসেবে সেটাই জুটল আমার ও সহপাঠী সুহূদ নেহাল হোসেন আওরঙ্গজেবের ভাগ্যে। অতঃপর গাছপালার খোঁজে ঘুরে বেড়াতাম গোটা শহর, কখনো টঙ্গী ও জিঞ্জিরা-শুভাঢ্যা। মতিঝিলের বিরান জঙ্গলেও মিলত দুষপ্রাপ্য উদ্ভিদের নমুনা। প্রেম ও অপ্রেম নাকি একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ, তাই আটকা পড়ে গেলাম বিদঘুটে ট্যাক্সোনমির ফাঁদে। পরীক্ষা শেষে নেহাল গেলেন ঢাকার তুলা গবেষণাকেন্দ্রে, আমি বরিশাল ব্রজমোহন কলেজে।
ট্যাক্সোনমি পড়াতাম, হার্বেরিয়াম ও মিউজিয়ামের জন্য গাছপালার নমুনা সংগ্রহ করতাম, হাতেকলমে শিক্ষার জন্য ছাত্রদের নিয়ে যেতামশহর লাগোয়া বনবাদাড়ে। একবার গেলাম মৌলভীবাজার, আমাদের বাড়ির কাছের পাথারিয়া পাহাড়ে। কৈশোরের স্মৃতিময় এই পাহাড় স্বপ্ন দেখাল ‘ফ্লোরা’ লেখার। বাদ সাধল বইপত্রের অভাব। হুকারের সাত খণ্ডের দ্য ফ্লোরা অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া, কাঞ্জি লালের চার খণ্ডের আসাম ফ্লোরা দূরে থাক, ডেভিড প্রেইনের বইটিও তখন দুষপ্রাপ্য। অগত্যা চিঠি লিখলাম সাহায্যের জন্য ‘বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া’ অফিসে। ফল হলো বিষময়। ওদের উত্তরটা কীভাবে যেন পৌঁছে গেল ঢাকার সচিবালয়ে, শিক্ষা দপ্তরে, তলব এল কৈফিয়তের। আমার অন্যায় হয়ে গেছে ভারতের সরকারি সংস্থা সরাসরি চিঠি লেখায়। সামাল দেওয়া গেল অধ্যক্ষ কবীর চৌধুরীর মধ্যস্থতায়। ইতি ঘটল ‘ফ্লোরা’ লেখার।
এশিয়াটিক সোসাইটির জীবজ্ঞানকোষ প্রকল্পে কাজ করার সময় এসব কথা মনে পড়ত এবং এই ভেবে
ভারি আনন্দ হতো যে বাংলাদেশের উদ্ভিদকুল-প্রাণীকুল নিয়ে কাজ করতে আর কাউকেই এমন কদর্য বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না। ২৮ খণ্ডের ইংরেজি (এনসাইক্লোপিডিয়া অব ফ্লোরা অ্যান্ড ফউনা অব বাংলাদেশ) ও ২৮ খণ্ডের বাংলা (বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ) মোট ৫৬ খণ্ডের গ্রন্থ। এই গ্রন্থমালাকে বলা যায় আমাদের জীব-ইতিহাসের ভিতস্তম্ভ, জাতির জন্য এক অত্যুত্তম উপহার।
সৎ কর্ম নির্বিঘ্নে নিষ্পন্ন হওয়ার দৃষ্টান্ত বিরল। এখানেও ব্যতিক্রম হয়নি। শুরু থেকে প্রকাশনা (২০০৫-২০১১) পর্যন্ত জীবজ্ঞানকোষের মতো একটি শুদ্ধ একাডেমিক কর্মেও বারবার অবাঞ্ছিত সরকারি হস্তক্ষেপ ঘটেছে, কর্মপরিষদের ও গবেষকদের কেউ কেউ কর্মচ্যুত হয়েছেন, অনুদান বন্ধ হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত সোসাইটির নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি শেষ হতে পেরেছে। পরিব্যাপ্ত অনিশ্চয়তার অকুস্থলে এমনটি দৈবাৎ ঘটে।
পাথারিয়া পাহাড় এখন বৃক্ষশূন্য। হারিয়ে গেছে উদ্ভিদকুলের বহু প্রজাতি, জীব-ইতিহাসের অনেক অমূল্য সম্পদ। আশার কথা, বিলম্বে হলেও ‘ফ্লোরা’ লেখার কাজ আবার শুরু হয়েছে, প্রকাশিত হচ্ছে বিভিন্ন অঞ্চলের গাছগাছালি ও জীবজন্তুর ধারাবর্ণনা। প্রাধান্য পাচ্ছে পাহাড়ি এলাকা, পাথারিয়া পাহাড়ও আর দূরে নয়। নতুন প্রজন্মের জীববিদেরা কেবল শুদ্ধ জ্ঞানচর্চা নয়, অনুপ্রাণিত হচ্ছেন পরিবেশদূষণে পর্যুদস্ত প্রজাপতিগুলোর আর্তিতেও। আর এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ হয়ে উঠছে প্রথম ও প্রধান আকরগ্রন্থ।
বলা প্রয়োজন, এই গ্রন্থমালা শুধু বিজ্ঞানী, নিসর্গী, বিদ্যার্থীর জন্য নয়, সর্বসাধারণের জন্যও।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)